নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের কেশবপুর পৌরসভার নাগরিকরা প্রতি বছর ৫-৬ মাস ধরে বন্যার পানিতে ডুবে থাকেন। বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়ে। এই অবস্থায়ও পৌরকর আদায় করা হচ্ছে আগের হারেই। ফলে পৌরবাসী দাবি তুলেছেন—দুর্যোগকালীন মাসে কর মওকুফ এবং সার্বিকভাবে কর হোক সহনশীল।
নিয়মিত কর দেওয়ার পরও পৌরবাসীরা মৌলিক নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না। শহরের রাস্তা-ঘাট, ড্রেন, পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থায় চরম অব্যবস্থা দেখা যায়। কোথাও ময়লা ফেলার ড্রাম নেই, খোলা জায়গায় ময়লা ফেলায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা চেষ্টা করলেও সঠিক ব্যবস্থার অভাবে সুফল মিলছে না।
পৌরসভার কার্যক্রম বর্তমানে একজন প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মতামত বা অভিযোগ যথাযথভাবে পৌছে দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রশাসকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও কঠিন। ফলে নাগরিকদের সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে রয়ে যাচ্ছে।
শহরের বিভিন্ন সড়কে ঝুঁকে পড়া গাছ, ভাঙা ফুটপাত ও নাজুক ড্রেন ব্যবস্থা জনজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। অনেক জায়গায় মানুষ নিজ খরচে সংস্কার করছে, যা পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল।
পৌরসভার বড় আয়ের উৎস পশুহাট, কাঁচাবাজার ও মাছ বাজার থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় হলেও এসব বাজারের উন্নয়ন চোখে পড়ে না। পশুহাটে হাঁটু পানি, বাজারে দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তুপ জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে।
জনগণের দাবি, দুর্যোগপূর্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কর মওকুফ ও সহনশীল কর নীতি প্রণয়ন করা হোক। একই সঙ্গে পৌরসভার অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দুর্নীতি রোধ এবং সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
ই-পেন চেম্বারঃ আলতাফ টাওয়ার (৩য় তলা), ১নং বয়রা ক্রস রোড, সোনাডাঙ্গা, খুলনা।
ই-মেইলঃ news@dailyjonoshruti.com, editor@dailyjonoshruti.com
মোবাইলঃ +৮৮-০১৬১৪-৪৯৪৪৪৫, +৮৮-০১৬১৪-৪৯৪৪৪৬
© ২০২২–২০২৫ দৈনিক জনশ্রুতি। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। "দৈনিক জনশ্রুতি: আমাতুল্লাহ মার্ট-এর ভাবনাপ্রবাহে নির্মিত।"