মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

কেশবপুরে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪৫ বার পঠিত
প্রকাশিত : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেশবপুরে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে কেশবপুর উন্নয়ন ফোরাম এবং জলাবদ্ধতার স্থায়ী নিরসন চাই কমিটি। সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শিক্ষক আব্দুস সালাম, সোহেল হাসান আইদ, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, কবির হোসেন রিপন, বাবু হাওলাদার, মিরাজ বিশ্বাস, মিল্টন, এসএম ইমরান, ফয়সালুর জামান সাগর, বাবুল হোসেনসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রায় দুই মাস ধরে কেশবপুর জলাবদ্ধতার কবলে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি নদী ও খাল খনন জরুরি হয়ে পড়েছে।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়—

প্রতি বছর ৪-৬ মাস জলাবদ্ধতার কারণে কেশবপুরবাসী পানির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে বাধ্য হন। পৌরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় হরিহর নদের দুই পাড়ে ৫ ফুট উঁচু শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন। পৌরসভার ড্রেনে কপাট স্থাপন করে হরিহর নদের পানি প্রবেশ বন্ধ করা জরুরি। শহর রক্ষা বাঁধে সবুজ বনায়ন ও ফুলের গাছ লাগানো, হরিহর নদে নৌকা ভ্রমণের ব্যবস্থা, এবং বাঁধের দুই পাড় পার্ক হিসেবে উন্নয়ন করা হলে জনসাধারণের বিনোদনের সুযোগ তৈরি হবে ও পৌরসভার আয় বৃদ্ধি পাবে। কেশবপুর গম পট্টি, বাক্স পট্টি, মধুসড়ক, মাছ বাজার, পান হাটা, নারকেল হাটা ও ধান হাটা এলাকায় প্রতি বছর ২-৩ মাস জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন। অবিলম্বে ভেকু বা অন্যান্য উপায়ে পানি অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে টি.আর.এম প্রকল্প বাস্তবায়ন, বর্ষার আগে মৎস্য ঘেরে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বন্ধ এবং ভবদহ অঞ্চল ঘের আইন-২০১৯ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। জলাবদ্ধ এলাকায় ভুক্তভোগীদের জন্য ভূমিকর, হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি, পানির বিল, সমিতি ও ব্যাংকের কিস্তি স্থগিত রাখারও আহ্বান জানানো হয়।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর