গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের জামালপুর কলেজের শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে হিসাবে গড়মিল করার ও রশিদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেরানি লিটনের বিরুদ্ধে।
কয়েকদিন আগে বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় জামালপুর কলেজের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ প্রকাশ করার পর অফিস সহকারী কেরানি লিটন যেই শিক্ষার্থীর পরিবার প্রভাবশালী তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে রিসিট ও অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিয়েছে ২০০০, ৩০০০, ৪৫০০, ৫০০০ টাকা করে। তারপর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা ও চেয়েছে অনেকের কাছে।
২৫ জনের মতো শিক্ষার্থী জামালপুর কলেজের অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ও ভিডিও বক্তব্য দিয়েছে যা কি-না সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে। কাল এতে জড়িত রয়েছে নেতা শিক্ষক সহ আরো অনেকেই।
আর নিরীহ শিক্ষার্থীদের কেরানী লিটন ফোন করে কলেজে এনে হুমকি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে লিটন এর বিরুদ্ধে। জামালপুর কলেজের অনিয়মের ব্যাপারে যারা মুখ খুলেছে তারা কলেজে আসতে ভয় পাচ্ছে এবং সোহাগ স্যারে নেতৃত্বে জোর করে কাউন্টার সাক্ষর নেয়া হচ্ছে এবং কাউকে না বলার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়া ক্লাসে গিয়ে সংবাদে বিবৃতিদানকারী শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ধরে হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর কলেজের সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছি কিন্তু আমাকে এই পর্যন্ত কেউ লিখিতভাবে কোন অভিযোগ করেনি। তবে প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জামালপুর কলেজের প্রিন্সিপাল আনন্দ চন্দ্র দাস এর সাথে মোবাইল ফোনে লিটনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানামতে লিটন একদম ফ্রেশ তারপরও যদি কোন অনিয়মের ছোঁয়া পাই তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
জামালপুর কলেজের শিক্ষক ফয়সাল এর কাছ থেকে লিটনের অনিয়মের বিষয়ে জানার জন্য মোবাইলে কল করলে তিনি ফোন কেটে দেন তাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, বারবার মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও অফিস সহকারি লিটন এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।