মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

কেশবপুরে জমে থাকা বন্যার পানির পঁচা দুর্গন্ধের ফলে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি

বিল্লাল হোসেন (কেশবপুর) যশোর / ২৮৯ বার পঠিত
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

বিল্লাল হোসেন (কেশবপুর) যশোর: যশোরের কেশবপুরে বন্যার পানি জমে থাকায় ছড়াচ্ছে পঁচা দুর্গন্ধ, পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি কাঁচা বাজারে, ধান হাঁটা, সাহা পাড়া, গম পট্টি সড়কগুলোতে পা‌নি কমতে শুরু করলেও পঁচা দুর্গন্ধে দিশেহারা ক্রেতা বিক্রেতা।

কাঁচামাল ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীন বলেন, বিলি সিং পাউডার ছিটিয়ে দিলে পঁচা দূর্গন্ধ থাকতো না। কিন্তু আজ পর্যান্ত পৌর সভার পক্ষথেকে কোনো প্রকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। পঁচা দূর্গন্ধের মধ্যে নাকে কাপড় বেঁধে ঝুঁকি নিয়ে দোকানে বসে আছি।

মশিয়ার রহমান নামে এক ক্রেতা জানান, কাঁচা বাজার যেহেতু ইজারা দেন পৌরসভা লক্ষ লক্ষ টাকা এই বাজার টেন্ডারে বিক্রি করা হয়। পৌরসভার দায়িত্ব এখানে বিলি সিং পাউডার ছিটিয়ে দিলে পঁচা দূর্গন্ধ আর থাকবে না। পানি নর্দমায় মিশে কালো রং ধারণ করে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এসব এলাকায় চলাচলের মানুষের রোগের শঙ্কা আছে।

মধ্যকুল আমতলায় ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নেয়া আবুল হাসান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মাঝে মধ্যে আসেন, খোঁজ খবর নেন, কিছু ঔষধ বিতরণ করেন।

হাবাসপোল গ্রামের আজগর আলী জানান, ঘর থেকে বের হতে হলে ময়লা-পচা পানি মাড়িয়ে যেতে হয়। এ জন্য বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হন না। আবার বের হলে সারা দিনের সম্ভাব্য কাজ শেষ করে ঘরে ফেরেন। তিনি আরও বলেন, বের হওয়ার পঁচা পানি শরীরের যে অংশে লাগে সেখানে চুলকানো শুরু হয় এবং ঘাঁ হচ্ছে। ঘর থেকে বের হলে পা দিয়ে পানি মাড়িয়ে যেতেই হবে। আগে পানি বেশি থাকায় ময়লা পানি আসত না। এখন পানি কমে যাওয়ায় ময়লা পানি কালো হয়ে গেছে। এ ছাড়া বন্যার পানিতে বিভিন্ন ময়লা–আবর্জনা ভেসে এসে ঘর ও আশপাশে জড়ো হয়েছে। জমে থাকা পানিতে জন্ম নিয়েছে মশাসহ নানা কীটপতঙ্গ।

আলতাপোল গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর রোগগুলোর ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আছে। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, সাহাপাড়া, ভবানীপুর, হাবাসপোল, মধ্যকুল, আলতাপোল, ভোগতী নরেন্দ্রপুর, বাজিতপুর, বালিয়াডাঙ্গা এলাকাসহ বেশ কিছু বাড়িঘর এখনো পানির নিচে। বাসিন্দাদের ঘরের সামনে এখনো হাঁটুপানি রয়ে গেছে। এ পানি কলো রং ধারণ করে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। তাই ওইসব এলাকার বাসিন্দারা পানিবাহিত রোগের শঙ্কায় আছেন।

এ বিষয়ে কেশবপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, পানি নেমে যাওয়ার পর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তাঁরা পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছে। সেই সঙ্গে মশা-মাছি ও কীটপতঙ্গ নিধনের জন্য ওষুধ ছিটানো হচ্ছে পৌর শহরে। ময়লা দুর্গন্ধ দূর করতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতসময়ে কার্যকর করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলমগীর জানান, আমি নিজেই বন্যা কবলিত আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দায়িত্বরত চিকিৎসকরা আশ্রয়নে যেয়ে, খাবার স্যালাইন, প্যারাসিটামল, মেট্রোনিডাজলসহ আরও ঔষধ সরবরাহ করছে।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর