বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

বাবা-মায়ের সন্ধান পেতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তা চেয়েছেন ডেনমার্ক প্রবাসী আশা

দৈনিক জনশ্রুতি ডেস্ক : / ৪২৭ বার পঠিত
প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪, ৬:৩১ অপরাহ্ণ

দৈনিক জনশ্রুতি ডেস্কঃ সুদূর ডেনমার্ক প্রবাসী আশার বাবা-মাকে খুঁজে পেতে দেশবাসীর কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ ক্যাসেলে বসবাসরত প্রবাসী, ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের সাবেক শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবুল হাসনাত মিল্টন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবুল হাসনাত মিল্টন দৈনিক জনশ্রুতিকে জানান, ভূমিষ্ঠ হ‌ওয়ার পরপরই আশার ঠাঁই হয়েছিল খুলনার সোনাডাঙ্গার এক অনাথ আশ্রমে। এর কয়েকদিন পরই তার জায়গা হয় ঢাকার আরেক এতিমখানায়। সেখান থেকে ১৯৭৬ সালে তাকে দত্তক নেয় ডেনমার্কের একটি পরিবার।

১৯৭৬ সালের ওই ঘটনার পর থেকে ডেনমার্কেই কাটছে আশার জীবন। মাঝে একবার বাংলাদেশে এসেও স্বজনদের সন্ধান না পেয়ে ফিরে যান। স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে এখন তার সংসার। কিন্তু জানেন না নিজের নামটা কে রেখেছিলেন সেকথাও। বছরের পর বছর এই কষ্ট চাপা দিয়ে রাখলেও এখন আর পারছেন না। তাই নিজের পরিবারের সন্ধানে খুব শিগগিরই বাংলাদেশে আসতে চান আশা।

মেয়েটার জন্ম খুলনায়, সম্ভবত ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সেই হিসাবে তার বর্তমান বয়স প্রায় ৫০ বছর। কেউ একজন তার নাম রেখেছিলেন আশা। আশা লোকমুখে শুনেছে, ১৯৭৪ বা ৭৫ সালের মে মাসে তাকে সোনাডাঙ্গা মেইন রোডের ‘নির্মল হৃদয় শিশু ভবনে’ রেখে আসা হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকার ইসলামপুর রোডের আমপট্টি এলাকার এক এতিমখানায় নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে আশাকে দত্তক নেয় ডেনমার্কের একটি পরিবার। তারপর ১৯৭৬ সালের ১৮ অক্টোবর ওই পরিবারের সঙ্গে ডেনমার্কে চলে যায়। সেই থেকে আশা ওয়েলস নামে ডেনমার্কেই বাস করছেন।

তিনি আরো বলেন, “আমি খুলনার ছেলে জেনে আমার এক সাবেক ছাত্রীর মাধ্যমে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। অনেক স্বপ্ন নিয়ে আশার স্বামী মোজেনস ফক আমাকে ইমেইল করেছেন। আশা মার্চ মাসে স্বামী-সন্তানসহ খুলনায় নিজের শেকড়ের সন্ধানে আসতে চান। দেশবাসীর প্রতি আমার আবেদন, কেউ কি আশার বাবা-মা, ভাই-বোন বা আত্মীয়স্বজনের কোনো খোঁজ দিতে পারবেন? যাতে আশার বাবা-মায়ের ঠিকানা খুঁজে পেতে সহজ হয়।”

উল্লেখ্য, ড. আবুল হাসনাত মিল্টন আশার বাবা-মাকে খুঁজে পাওয়ার জন প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করে চলেছেন।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর