রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ‘Good Governance in NGOs’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ট্রাস্ট হেলথ সেন্টারের যাত্রা শুরু কেশবপুরে দুপুরে সাহসী চুরি-ডাকাতির ঘটনা, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট টেকসই উন্নয়নের বার্তা নিয়ে কেশবপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত টেকসই পোর্টফোলিওই মাইক্রোফিন্যান্স খাতের প্রকৃত সাফল্য: ড. মেহেদী হাসান ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম: কেশবপুরের বাচ্চু রহমানের অনন্য সাফল্য কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে ব্ল্যাকমেইল ও নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তের দাবি কেশবপুরে যাত্রা শুরু করছে ‘ট্রাস্ট হেলথ সেন্টার’ ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কর্মী ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: ড. মেহেদী হাসান চারুপীঠ একাডেমি: সংস্কৃতি চর্চার এক উজ্জ্বল ঠিকানা

কেশবপুর পৌরসভায় নাগরিক দুর্ভোগ, সহনশীল পৌরকরের দাবি পৌরবাসীর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৫৬ বার পঠিত
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ১২:১৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের কেশবপুর পৌরসভার নাগরিকরা প্রতি বছর ৫-৬ মাস ধরে বন্যার পানিতে ডুবে থাকেন। বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়ে। এই অবস্থায়ও পৌরকর আদায় করা হচ্ছে আগের হারেই। ফলে পৌরবাসী দাবি তুলেছেন—দুর্যোগকালীন মাসে কর মওকুফ এবং সার্বিকভাবে কর হোক সহনশীল।

নিয়মিত কর দেওয়ার পরও পৌরবাসীরা মৌলিক নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না। শহরের রাস্তা-ঘাট, ড্রেন, পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থায় চরম অব্যবস্থা দেখা যায়। কোথাও ময়লা ফেলার ড্রাম নেই, খোলা জায়গায় ময়লা ফেলায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা চেষ্টা করলেও সঠিক ব্যবস্থার অভাবে সুফল মিলছে না।

পৌরসভার কার্যক্রম বর্তমানে একজন প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মতামত বা অভিযোগ যথাযথভাবে পৌছে দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রশাসকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও কঠিন। ফলে নাগরিকদের সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে রয়ে যাচ্ছে।

শহরের বিভিন্ন সড়কে ঝুঁকে পড়া গাছ, ভাঙা ফুটপাত ও নাজুক ড্রেন ব্যবস্থা জনজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। অনেক জায়গায় মানুষ নিজ খরচে সংস্কার করছে, যা পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল।

পৌরসভার বড় আয়ের উৎস পশুহাট, কাঁচাবাজার ও মাছ বাজার থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় হলেও এসব বাজারের উন্নয়ন চোখে পড়ে না। পশুহাটে হাঁটু পানি, বাজারে দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তুপ জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের দাবি, দুর্যোগপূর্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কর মওকুফ ও সহনশীল কর নীতি প্রণয়ন করা হোক। একই সঙ্গে পৌরসভার অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দুর্নীতি রোধ এবং সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর