মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

অফিসের টার্গেট পূরণের চাপ স‌হ্য করতে না পেরে কর্মীর ‘আত্মহত্যা’

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক / ৩৩৩ বার পঠিত
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:০৪ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদকঃ সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘটনাটি ভারতের উত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে। আত্মহত্যা করা ব্যক্তির নাম তরুণ সাক্সেনা (৪২)। তিনি বাজাজ ফাইন্যান্সে এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ‘কাজের চাপ’ নিয়ে তরুণের করা অভিযোগের বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি বাজাজ ফাইন্যান্স।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির কাজের লোক তরুণকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে অন্য ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে। বাবা-মা, স্ত্রী মেঘা এবং সন্তান ইয়ার্থ ও পিহুকে রেখে গেছেন তরুণ।

এনডিটিভি বলছে, স্ত্রী মেঘাকে সম্বোধন করে লেখা পাঁচ পৃষ্ঠার একটি চিঠিতে তরুণ লিখেছেন, অত্যন্ত চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি, কারণ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও টার্গেট (অফিসের) পূরণ করতে পারেননি।

তরুণকে তার এলাকা থেকে বাজাজ ফাইন্যান্সের ঋণের ইএমআই সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, কিন্তু বেশ কিছু সমস্যার কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছিল না।

তরুণ আরও লিখেছেন, তিনি চাকরি হারাতে পারেন বলে উদ্বিগ্ন ছিলেন। তার সিনিয়ররা তাকে বারবার অপমান করেছে। তরুণ লেখেন, ‘আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব টেনশনে আছি। আমি আমার চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। আমি চলে যাচ্ছি।’

ইএমআই-এর অর্থ তোলার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলেন, তা বারবার নিজের সিনিয়রদের কাছে তুলে ধরলেও, তারা সে কথা শুনতে চাইতেন না বলে উল্লেখ করেছেন তরুণ। লিখেছেন, ‘আমি ৪৫ দিন ধরে ঘুমাইনি। আমি খুব কমই খেয়েছি। আমি অনেক চাপের মধ্যে আছি। সিনিয়র ম্যানেজাররা আমাকে যেকোনো মূল্যে টার্গেট পূরণ করতে বা পদত্যাগ করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।’

চিঠিতে, সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করতে এবং তাদের মায়ের যত্ন নেয়ার কথা বলেছেন তরুণ। তার পরিবার যেন বীমার টাকা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে আত্মীয়দের অনুরোধ করেছেন তিনি।

তিনি তার অফিসের সিনিয়রদের নামও উল্লেখ করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বলেছেন পরিবারকে। চিঠিতে লিখেখেন, ‘তারা আমার সিদ্ধান্তের (আত্মহত্যার) জন্য দায়ী।’

সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বিনোদ কুমার গৌতম বলেছেন, ‘আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাচ্ছি। সুইসাইড নোটে বলা হয়েছে, তার (তরুণ) সিনিয়ররা তাকে টার্গেট পূরণ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’ সূত্র: এনডিটিভি


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর