কেশবপুরে শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সকাল ৭:০০ ঘটিকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তারপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র মোঃ রফিকুল ইসলাম মোড়ল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এইচএম আমির হোসেন, সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম পিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান মফিজ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ স্বপন কুমার মজুমদার, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মহিবুর রশিদ, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাৎ হোসেন, শেখর রঞ্জন দাস, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ ইসলাম, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ লাভলু, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা ফিরোজ, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সদস্য কাওছার হোসেন রুবেল।

আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগসহ অন্যান্য সংগঠনের উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। দলীয় কর্মসূচি পালন শেষে নেতাকর্মীরা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রসাশনের আয়োজনে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে স্ব স্ব ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। অতঃপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন প্রশাসনিক সংগঠন ও সংস্থা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের সংক্ষিপ্ত নাট্য প্রদর্শনী, কবিতা আবৃত্তি ও দেশাত্মবোধ সংগীত পরিবেশন করা হয়।