কাওছার হোসেন: ঈদের ছুটিজুড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা গেছে। অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে তেল শেষ হয়ে যায়, আর যেসব পাম্পে কিছু মজুত ছিল সেখানেও সীমিত পরিমাণে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের ছুটিতে ব্যাংক ও ডিপো বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরা নতুন করে তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। পে-অর্ডার ছাড়া ডিপো থেকে তেল তোলা সম্ভব না হওয়ায় মজুতের ওপর নির্ভর করেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তেল না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। কোথাও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল মেলেনি, আবার কোথাও ২০০-৩০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করে তেল বিক্রি করা হয়েছে। অনেকেই একাধিক পাম্প ঘুরেও খালি হাতে ফিরেছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, ব্যাংক খোলা না থাকলে পে-অর্ডার করা যায় না, আর সেটি ছাড়া ডিপো থেকে তেল তোলা সম্ভব নয়। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে, টানা ছুটির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় ঈদের সময় সাধারণ মানুষের চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।