বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

১৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ

কাওছার হোসেন || দৈনিক জনশ্রুতি / ২৭৭ বার পঠিত
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ

কাওছার হোসেন: বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরব ও শ্রদ্ধার এক অনন্য দিন আজ ১৭ মার্চ। ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

শেখ মুজিবুর রহমান শৈশব থেকেই নেতৃত্বগুণে উজ্জ্বল ছিলেন। ‘খোকা’ নামে পরিচিত এই শিশুই পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন বাঙালির ‘মুজিব ভাই’ এবং ‘বঙ্গবন্ধু’। কিশোর বয়সেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু করেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে প্রথমবার কারাবরণ করেন।

১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে তিনি একজন উদীয়মান ছাত্রনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এসে বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়। এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তিনি বাঙালি জাতির প্রধান নেতায় পরিণত হন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তার ঐতিহাসিক ভাষণ স্বাধীনতার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওই ভাষণে তিনি বাঙালিকে মুক্তির সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। একই বছরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।

এরপর শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন এবং ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে সপরিবারে নিহত হন শেখ মুজিবুর রহমান, যা দেশের ইতিহাসে এক শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তার নেতৃত্ব ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়ই ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর