শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ‘Good Governance in NGOs’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ট্রাস্ট হেলথ সেন্টারের যাত্রা শুরু কেশবপুরে দুপুরে সাহসী চুরি-ডাকাতির ঘটনা, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট টেকসই উন্নয়নের বার্তা নিয়ে কেশবপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত টেকসই পোর্টফোলিওই মাইক্রোফিন্যান্স খাতের প্রকৃত সাফল্য: ড. মেহেদী হাসান ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম: কেশবপুরের বাচ্চু রহমানের অনন্য সাফল্য কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে ব্ল্যাকমেইল ও নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তের দাবি কেশবপুরে যাত্রা শুরু করছে ‘ট্রাস্ট হেলথ সেন্টার’ ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কর্মী ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: ড. মেহেদী হাসান চারুপীঠ একাডেমি: সংস্কৃতি চর্চার এক উজ্জ্বল ঠিকানা

নড়াইলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিএম‌এস‌এস এর তীব্র নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫২১ বার পঠিত
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রকে মাহফিল থেকে ডেকে নিয়ে বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে। আর এই ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করায়, সাংবাদিক মিনারুজ্জামান মিরনের বিরুদ্ধে দোকানঘরে হামলা, মারপিট, মালামাল চুরি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক মিরনের বিরুদ্ধে মিথ্যা এই মামলার প্রতিবাদ স্বরুপ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক সহযোদ্ধারা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মিনারুজ্জামান মিরন দৈনিক লিখনি সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএম‌এস‌এস) কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক। গত ১ জানুয়ারি নড়াইল সদর থানায় এ মামলা করেন হাবিবুরের স্ত্রী মিমি খানম। মামলার এজহারে উল্লেখ করেন, ২২ শে ডিসেম্বর মিরন বেআইনি জোটবদ্ধ হয়ে বিছালী ইউনিয়নের বর্নী মোড়ে ইকলাজের ঔষধের ঘরে প্রবেশ করে তাদের মারপিট, নগত টাকা ও মালামাল চুরি, ছিনতাই ও নগত অর্থ চাঁদা দাবি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বলাৎকারের ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় হাবিবুর সহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়। ওই মামলা থেকে নিজেদের বাঁচাতে বাদী ও তার পরিবারের স্বজনদের নামে অহেতুক এ চাঁদাবাজি মামলা করা হয়েছে। এটা একটা কাউন্টার মামলা। কাউন্টার মামলা দিয়ে ভয় দেখিয়ে বাদিকে বলাৎকারের মামলা তুলে আনার একটা হীন প্রচেষ্টা মাত্র। যদি বাস্তবে ইকলাজের ঘরে হামলা হত তাহলে ২২ ডিসেম্বরের ঘটনায় ১ জানুয়ারি মামলা হত না। যার বিয়ে তার খোঁজ নাই পাড়া-পরশির ঘুম নাই। দোকান মালিক কোন মামলা করেনি। উল্টো হাবিবুরের স্ত্রী মিমি খানম মামলার বাদি। এহেন হয়রানি মূক মামলার কারনে দেশের বিচার বিভাগ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিসহ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানি মূলক এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর