বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুর প্রেসক্লাবে দায়িত্ব হস্তান্তর, নতুন সদস্য হলেন ৩৭ জন এক হাতেই জীবনজয়ের লড়াই, স্নাতকোত্তর কল্লোলের জীবিকা এখন পথে পথে বেকারির পণ্য বিক্রি খুলনার রূপসায় ফখরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার শ্রেণিকক্ষের সীমানা পেরিয়ে প্রকৃতির পাঠ, চুকনগর কলেজে সমাধানের বৃক্ষ বিতরণ সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে নূরানিয়া মাদরাসায় ‘সমাধান’-এর বৃক্ষ বিতরণ মোংলায় ৭৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সহযোগী রঞ্জন মন্ডল গ্রেফতার ত্রাণ নয়, মর্যাদার সঙ্গে সহায়তা: দৌলতপুরে ভিবিডির ‘১ টাকার বাজার’ কেশবপুরে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাধানের ১৪৫টি গাছের চারা বিতরণ যশোরে MRA চাকরি মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

নড়াইলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিএম‌এস‌এস এর তীব্র নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৫৪ বার পঠিত
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রকে মাহফিল থেকে ডেকে নিয়ে বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে। আর এই ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করায়, সাংবাদিক মিনারুজ্জামান মিরনের বিরুদ্ধে দোকানঘরে হামলা, মারপিট, মালামাল চুরি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক মিরনের বিরুদ্ধে মিথ্যা এই মামলার প্রতিবাদ স্বরুপ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক সহযোদ্ধারা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মিনারুজ্জামান মিরন দৈনিক লিখনি সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএম‌এস‌এস) কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক। গত ১ জানুয়ারি নড়াইল সদর থানায় এ মামলা করেন হাবিবুরের স্ত্রী মিমি খানম। মামলার এজহারে উল্লেখ করেন, ২২ শে ডিসেম্বর মিরন বেআইনি জোটবদ্ধ হয়ে বিছালী ইউনিয়নের বর্নী মোড়ে ইকলাজের ঔষধের ঘরে প্রবেশ করে তাদের মারপিট, নগত টাকা ও মালামাল চুরি, ছিনতাই ও নগত অর্থ চাঁদা দাবি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বলাৎকারের ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় হাবিবুর সহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়। ওই মামলা থেকে নিজেদের বাঁচাতে বাদী ও তার পরিবারের স্বজনদের নামে অহেতুক এ চাঁদাবাজি মামলা করা হয়েছে। এটা একটা কাউন্টার মামলা। কাউন্টার মামলা দিয়ে ভয় দেখিয়ে বাদিকে বলাৎকারের মামলা তুলে আনার একটা হীন প্রচেষ্টা মাত্র। যদি বাস্তবে ইকলাজের ঘরে হামলা হত তাহলে ২২ ডিসেম্বরের ঘটনায় ১ জানুয়ারি মামলা হত না। যার বিয়ে তার খোঁজ নাই পাড়া-পরশির ঘুম নাই। দোকান মালিক কোন মামলা করেনি। উল্টো হাবিবুরের স্ত্রী মিমি খানম মামলার বাদি। এহেন হয়রানি মূক মামলার কারনে দেশের বিচার বিভাগ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিসহ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানি মূলক এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর