শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম: কেশবপুরের বাচ্চু রহমানের অনন্য সাফল্য কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে ব্ল্যাকমেইল ও নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তের দাবি কেশবপুরে যাত্রা শুরু করছে ‘ট্রাস্ট হেলথ সেন্টার’ ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কর্মী ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: ড. মেহেদী হাসান চারুপীঠ একাডেমি: সংস্কৃতি চর্চার এক উজ্জ্বল ঠিকানা সংস্কৃতি পরিষদের ফলাফলে কেশবপুরে শীর্ষে চারুপীঠ একাডেমি কেশবপুরে এক নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার কলারোয়ায় পূবালী ব্যাংকের তিনদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস কলারোয়া’ ক্যাম্পেইন শুরু মোটরসাইকেলের অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন মানবিক সহায়তায় স্বনির্ভরতার লক্ষ্য: রাজধানীতে ‘NGO-MFI রিসোর্সড পুলড ফান্ড’-এর যাত্রা শুরু

অফিসের টার্গেট পূরণের চাপ স‌হ্য করতে না পেরে কর্মীর ‘আত্মহত্যা’

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক / ২৫৯ বার পঠিত
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:০৪ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদকঃ সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘটনাটি ভারতের উত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে। আত্মহত্যা করা ব্যক্তির নাম তরুণ সাক্সেনা (৪২)। তিনি বাজাজ ফাইন্যান্সে এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ‘কাজের চাপ’ নিয়ে তরুণের করা অভিযোগের বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি বাজাজ ফাইন্যান্স।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির কাজের লোক তরুণকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে অন্য ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে। বাবা-মা, স্ত্রী মেঘা এবং সন্তান ইয়ার্থ ও পিহুকে রেখে গেছেন তরুণ।

এনডিটিভি বলছে, স্ত্রী মেঘাকে সম্বোধন করে লেখা পাঁচ পৃষ্ঠার একটি চিঠিতে তরুণ লিখেছেন, অত্যন্ত চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি, কারণ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও টার্গেট (অফিসের) পূরণ করতে পারেননি।

তরুণকে তার এলাকা থেকে বাজাজ ফাইন্যান্সের ঋণের ইএমআই সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, কিন্তু বেশ কিছু সমস্যার কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছিল না।

তরুণ আরও লিখেছেন, তিনি চাকরি হারাতে পারেন বলে উদ্বিগ্ন ছিলেন। তার সিনিয়ররা তাকে বারবার অপমান করেছে। তরুণ লেখেন, ‘আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব টেনশনে আছি। আমি আমার চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। আমি চলে যাচ্ছি।’

ইএমআই-এর অর্থ তোলার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলেন, তা বারবার নিজের সিনিয়রদের কাছে তুলে ধরলেও, তারা সে কথা শুনতে চাইতেন না বলে উল্লেখ করেছেন তরুণ। লিখেছেন, ‘আমি ৪৫ দিন ধরে ঘুমাইনি। আমি খুব কমই খেয়েছি। আমি অনেক চাপের মধ্যে আছি। সিনিয়র ম্যানেজাররা আমাকে যেকোনো মূল্যে টার্গেট পূরণ করতে বা পদত্যাগ করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।’

চিঠিতে, সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করতে এবং তাদের মায়ের যত্ন নেয়ার কথা বলেছেন তরুণ। তার পরিবার যেন বীমার টাকা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে আত্মীয়দের অনুরোধ করেছেন তিনি।

তিনি তার অফিসের সিনিয়রদের নামও উল্লেখ করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বলেছেন পরিবারকে। চিঠিতে লিখেখেন, ‘তারা আমার সিদ্ধান্তের (আত্মহত্যার) জন্য দায়ী।’

সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বিনোদ কুমার গৌতম বলেছেন, ‘আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাচ্ছি। সুইসাইড নোটে বলা হয়েছে, তার (তরুণ) সিনিয়ররা তাকে টার্গেট পূরণ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’ সূত্র: এনডিটিভি


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর