শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কলারোয়ায় পূবালী ব্যাংকের তিনদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস কলারোয়া’ ক্যাম্পেইন শুরু মোটরসাইকেলের অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন মানবিক সহায়তায় স্বনির্ভরতার লক্ষ্য: রাজধানীতে ‘NGO-MFI রিসোর্সড পুলড ফান্ড’-এর যাত্রা শুরু কেশবপুরে সাংবাদিককে গালিগালাজ ও হুমকির অভিযোগ: থানায় ডায়েরি মালদ্বীপ প্রবাসী ব্যবসায়ী হাদিউল ইসলামের আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন কেশবপুরে সমাধানের উদ্যোগে শাখা ব্যবস্থাপকদের দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন মালদ্বীপে প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ও সতর্কতা জারি ১৯ এপ্রিল থেকে জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর কেশবপুরে আড়ৎ ব্যবসায়ীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত, নতুন কমিটি গঠন কেশবপুরে অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি: ব্যবসায়ীকে জরিমানা

হাসির মাধ্যমে প্রতিবাদ: কর্পোরেট জীবনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন কণ্ঠ ‘লিমন সাহেব’

দৈনিক জনশ্রুতি ডেস্ক : / ৪২৩ বার পঠিত
প্রকাশিত : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:০৮ অপরাহ্ণ

দৈনিক জনশ্রুতি ডেস্কঃ বাংলাদেশের কর্পোরেট জীবনের বিশৃঙ্খলা, মানসিক চাপ এবং অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে হাস্যরসকে প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এক নতুন ধারার কনটেন্ট তৈরি করছেন তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাকির লিমুন। অনলাইন দুনিয়ায় “লিমন সাহেব” নামে পরিচিত এই তরুণ আজ কর্পোরেট ও সেলস পেশাজীবীদের কাছে হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার প্রতীক। বলা যায়, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি দেশের কর্পোরেট সংস্কৃতির অসঙ্গতিগুলোকে ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার সন্তান সাকির লিমুন পেশায় একজন প্রকৌশলী এবং বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতিমনা এই তরুণ থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। সেই মঞ্চই তাকে পৌঁছে দেয় টেলিভিশনের আলোয়—এনটিভির জনপ্রিয় কমেডি রিয়েলিটি শো “হা-শো সিজন ৬”-এ তিনি সেরা দশে জায়গা করে নেন এবং ছিলেন সেমিফাইনালিস্ট। বর্তমানে তিনি ইগল’স কমেডি-র সঙ্গেও কাজ করছেন। এছাড়া ভোলার প্রথম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবেও তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।

কমেডির পাশাপাশি তিনি নাট্যকার, গীতিকার ও অভিনেতা হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় পরিচয়—তিনি হাসিকে প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত করেছেন। কর্পোরেট কর্মজীবনের নানা অন্যায়, অবিচার ও অমানবিক আচরণকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলেন তার ভিডিওতে। তার কনটেন্টে অনেকেই খুঁজে পান নিজেদের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি।

এক সাক্ষাৎকারে সাকির লিমুন বলেন, “আমি আমার সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেও দেশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই। আপাতত যা আছে, তা হলো মুখ—তাই সেটাকেই ব্যবহার করছি। কতদিন পারব জানি না, তবে চেষ্টা থামাব না।”

কর্পোরেট জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই শুরু তার কনটেন্ট তৈরির যাত্রা। তিনি বলেন, “কর্পোরেট অফিসে কর্মীদের মানসিকভাবে কতটা নির্যাতন সহ্য করতে হয়, সেটা না ভেতরে ঢুকলে কেউ বুঝতে পারে না। বিশেষ করে সেলস সেক্টরে অনেক সময় অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।”

তবুও তার বিশ্বাস, “হাসি শুধু আনন্দের মাধ্যম নয়, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র—যেটা দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধেও লড়া যায়।”

নিজের কণ্ঠ, মুখ ও সৃজনশীলতাকে হাতিয়ার বানিয়ে সাকির লিমুন দেখিয়ে দিয়েছেন—হাসি কেবল বিনোদন নয়, এটি হতে পারে পরিবর্তনের ভাষা। আজ তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে এক সাহসী কণ্ঠ, আর কর্পোরেট দুনিয়ার মানুষের কাছে এক মানসিক মুক্তির প্রতীক।


এ জাতীয় আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর