কাওছার হোসেন: দেশের স্বীকৃত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (UODA) পরিবারে আয়ের সক্ষমতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়টির এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদরা।
ইউডার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুজিব খান বলেন, “কেবল অর্থের অভাবে যেন কোনো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়—এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা পরিবারে আয়ের সক্ষমতা বিবেচনায় ভর্তি ও টিউশন ফি নির্ধারণের ব্যবস্থা চালু রেখেছি।”
২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (UODA) সরকার অনুমোদিত একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উন্নয়নমুখী শিক্ষা, গবেষণা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
দীর্ঘদিন ধরে ইউডা শিক্ষার্থীদের পারিবারিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনায়— টিউশন ফি নির্ধারণ, কিস্তিতে ফি পরিশোধের সুযোগ, বিশেষ ছাড় ও আর্থিক সহায়তা, এবং মেধাভিত্তিক ও প্রয়োজনভিত্তিক বৃত্তি প্রদান করে আসছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সুবিধাগুলোকে আরও বিস্তৃত ও কাঠামোবদ্ধ করা হয়েছে, যাতে স্বল্প আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরাও একটি মানসম্মত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পায়।
বর্তমানে ইউডা বিভিন্ন অনুষদে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করছে। শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী শিক্ষা, গবেষণা কার্যক্রম এবং কর্মজীবনের প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, ইউডার এই উদ্যোগ দেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পরিবারে আয়ের ভিত্তিতে শিক্ষার সুযোগ তৈরি হওয়ায় দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সহজ হচ্ছে।