মরিয়াম আক্তার, বার্তা সম্পাদকঃ ঈদুল ফিতর ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি। ঈদ ও ফিত্র দুটিই আরবী শব্দ। ঈদ এর অর্থ উৎসব বা আনন্দ। ফিত্র এর অর্থ বিদীর্ণ করা, উপবাস ভঙ্গকরণ, স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া। পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর শাওয়াল মাসের ১লা তারিখে সিয়াম ভঙ্গ করে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরে যাওয়ার আনন্দময় দিবসটি ঈদুল ফিত্র নামে অভিহিত।
ধর্মীয় পরিভাষায় একে ইয়াউমুল জাএজ (অর্থঃ পুরস্কারের দিবস) হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখা বা সিয়াম সাধনার পর মুসলমানেরা এই দিনটি ধর্মীয় কর্তব্যপালনসহ খুব আনন্দের সাথে পালন করে থাকে। আর এই ধর্মীয় কর্তব্যসমূহের মধ্যে যাকাত ও ফিতরা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কেশবপুর উপজেলা কওমী উলামা পরিষদ কর্তৃক ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্য ফিতরা ও যাকাত নির্ধারিত হয়েছে।

উপজেলা কওমী উলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতী মুহাঃ হাবীবুল্লাহ জানান, ফিতরার ক্ষেত্রে খেজুর, কিসমিস, ভুট্টা, পনির এবং জবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ২৭০ গ্রাম বা তার সমপরিমাণ টাকা এবং গম বা আটার ক্ষেত্রে ১ কেজি ৬৩৫ গ্রাম বা তার সমপরিমাণ টাকা।
আটা হিসাবে ধার্যকৃত ফিতরা হচ্ছে ১০০/= (এক শত) টাকা, খেজুর হিসাবে ধার্যকৃত ফিতরা হচ্ছে ১০০০/= (এক হাজার) টাকা এবং কিসমিস হিসাবে ধার্যকৃত ফিতরা হচ্ছে ১৬৫০/= (এক হাজার ছয় শত পঞ্চাশ) টাকা।
অপরদিকে যাকাতের ক্ষেত্রে রূপা ২১ ক্যারেট ভরি মূল্য ১৫০০/= টাকা হিসাবে ৫২.৫০ ভরি রূপার মূল্য ৭৮,৭৫০/= (আটাত্তর হাজার সাত শত পঞ্চাশ) টাকা। অতএব ৭৮,৭৫০/= (আটাত্তর হাজার সাত শত পঞ্চাশ) টাকা অথবা সমমূল্যের যাকাতযোগ্য সম্পদের মালিক হলে এই সম্পদ এক বছরকাল স্থায়ী থকলে তার উপর যাকাত আদায় ফরজ করা হয়েছে।